Wellcome to National Portal
মেনু নির্বাচন করুন
Main Comtent Skiped

শিরোনাম
ঐতিহ্যবাহী দড়িচর বিল
স্থান
বিলটি কুমিল্লা জেলার হোমনা উপজেলার দড়িচর গ্রামে অবস্থিত । হোমনা থেকে ২.৫ কিলোমিটার দূরে।
কিভাবে যাওয়া যায়
বাংলাদেশের যে কোন জায়গা থেকে হোমনা উপজেলায় আসার পর হোমনা চৌরাস্তা বা হোমনা পোষ্ট অফিসের সামনে থেকে সিএনজি, অটো রিক্সা বা রিক্সা অথবা যে কোন গাড়ি সাহায্যে ঐতিহ্যবাহী দড়িচর বিলের আসা যায়।
বিস্তারিত

ঐতিহ্যবাহী দড়িচর বিল। হোমনা উপজেলার ঘাগুটিয়া ইউনিয়নের দড়িচর গ্রামের পাশে এই বিলটি অবস্থিত। লোকমুখে এটি নিয়ে অনেক কল্পকাহিনী শুনা যায়। কালের পরিক্রমায় এখন এটি আস্তে আস্তে গভীরতা হারাচ্ছে। লোক মুখে জানা অনেক কল্পকাহিনী মধ্যে জানা যায় যে, এই বিলের পানি পান করলে আগে মানুষের অনেক রোগ আরোগ্য লাভ করতো। তখন বিলের কোন গভিরতা পরিমাপ করা যেত না। 

 

বিল সৃষ্টি রহস্য : ছোট একটি ইদুরের গর্ত হতে বিলের সৃষ্টি । 

 

আয়তন : বিলটি আনুমানিক আয়তন প্রায় .5 বর্গ কিলোমিটার। বিলটি বৃত্তাকার । 

 

কল্প কাহিনী িএক :  জানা যায় যে, বিলের গভিরতার জন্য সারা দেশের মানুষের কাছে দড়িচর বিলটির অনেক খ্যাতি ছিল। আগে যখন মানুষের বাড়িতে কোন বিয়ে, সুন্নত বা অন্য যে কোন অনুষ্ঠান হতো সেখানে যত প্রকার ডেকোরেটর মাল যেমন থালা-বাসন, রান্না পাতিলা, গ্লাস, জগ প্রয়োজন হত তা আগের দিন সন্ধ্যের সময় বিলের ঘাটে দুধ আর কলা দিয়ে বলে আসত। পরের দিন ভোরের সময় গিয়ে দেখা যেত যে, সব কিছু ঘাটে ওঠে আছে। সেগুলো বাড়িতে নিয়ে এসে প্রয়োজনীয় কাজ শেষে পূনরায় বিলের ঘাটে গিয়ে রেখে আসত। এভাবে চললো অনেক দিন। 

                    

                         হঠাৎ একদিন ঘটে গেল এক অনাকাঙ্খীত ঘটনা।  কোন এক অনুষ্ঠানে যথারিতি বিল থেকে মালামাল নিয়ে আসা হল। তারপর সকল কাজ শেষে আবার মালামাল ঘাটে নিয়ে রাখা হল । মালামাল গুলো যেভাবে রাখা ছিল সেভাবেই থাকল। মালামালগুলো অদৃশ্য হওয়ার কথা ছিল কিন্তু তা অদৃশ্য হল না। খোজ নিয়ে জানা গেল বিল থেকে আনা মালামালের মধ্যে একটি পেয়ালা কম দেওয়া হয়েছিল। যার কারনে এগুলো অদৃশ্য হচ্ছে না। তারপর যার বাড়িতে অনুষ্ঠানের জন্য বিল থেকে উক্ত মালামাল আনা হয়েছিল সে স্বপ্ন দেখছে একই গ্রামের এক মহিলা চুরি করে পেয়ালাটি নিয়ে তার বাড়িতে রাখে। তারপর লোকটি মহিলা থেকে পেয়ালাটিকে উদ্ধার করে বিলের ঘাটে নিয়ে রাখে । তারপর থেকে আর এখন পর্যন্ত বিলের ঘাটে উক্ত মালামাল পাওয়া যায়নি। চুরি করা মহিলাটি শেষমেষ রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। 

 

                                                                                                       (লোকমূখ থেকে সংগৃহিত)